Categories
Uncategorized

জলের উপর বন দোলে…

বাংলাদেশের একমাত্র ভাসমান বন হলো ‘রাতারগুল ফরেস্ট’।

থৈ থৈ স্বচ্ছ পানিতে ভাসছে এই বন, সেই পানির আয়নায় সারাটা দিন নিজের চেহারা দেখে মুগ্ধ হয়ে ঠাঁয় দাঁড়িয়ে থাকে চির সবুজের এই স্বোয়াম্প ফরেস্ট। নৌকা নিয়ে ঘুরতে হয় এই বনে, বানর আর সাপের সাথে দোস্তি করে ঢুকতে হয় এই বনে – এই বনটা মায়ার, এই বনটা ছায়ার, এই বনটা অনেক কিছু না পাওয়াকে পাওয়ার।

২০১১ সালের জুনের ১ তারিখে গিয়েছিলাম বাংলাদেশের একমাত্র মিঠাপানির এই ভাসমান বন দেখার জন্য, কিন্ত বিধি বাম, মোটামুটি শুকনো কাদার ভেতরে বনের গহীনে হেঁটেই ভ্রমণ পিপাসা মেটাতে হয়েছে সেবারের মতোন। চার পাশে হিজল আর করচ গাছ থমথমে চেহারা নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে, একেকটা গাছের শেকড় উঠে আছে ১০/১৫ ফিট উপরে, মনে হয় তাদের জন্মই হয়েছে অর্ধেক রাস্তা থেকে। উপরে সবুজের বিস্তীর্ণ সমাহার আর নিচে আাঁকাবাঁকা গাছের গোড়ালী, মাঝখানে গজিয়েছে নতুন শেকড়। সেবারই বুঝেছিলাম এ বন দেখতে হলে আসতে হবে বর্ষাকালে, হিজলের-করচের শাখে শাখে দুলতে হলে আসতে হবে বানের সময়, নীল সবুজের রহস্যে হারিয়ে যেতে হলে ঢুকতে হবে জলের সাথে। তাই সেবার ঘাড় উঁচিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা জারুল গাছটাকে আবার আসবো বলে কথা দিয়ে চলে এসেছিলাম ধুলোর নগরীতে।

জুলাইয়ের বৃষ্টিকে আরো কিছুদিন গা ছাড়া ভাব নিয়ে পড়তে দিয়েছিলাম, যখনই খবর পেলাম সিলেটের বনে বান ডেকেছে তখনি তার টানে বেরিয়ে পড়লাম নিজের ছোট্ট পোটলাটা নিয়ে। প্ল্যান ছিলো এবারে একলা যাবো, কারণ রমজান মাসে ঘুরাঘুরির জন্য আর কাউকেই পাবোনা। যেমন কথা তেমন কাজ, বাসস্ট্যান্ডে গিয়ে দেখি সেখানে নববিবাহিত রকি ভাই এবং রেদওয়ান দাঁড়িয়ে আছে। নীল সবুজের বন তাদেরকেও ডাকছে। ওদিকে ফেসবুকে খবর পেয়ে ১০৪ ডিগ্রি জ্বর কোলে নিয়ে আহসান ভাই এবং লুৎফর ভাইও রওয়ানা দিয়েছে খুলনা থেকে। বিশাল সুন্দরবন ফেলে তারা আসছে সুন্দর আরেকটা বন ছুঁয়ে দেখতে। পাঁচ সদস্য বিশিষ্ট এই দলের একটাই উদ্দেশ্য, একটা বিশাল বন কিভাবে জলের উপর হেলতে দুলতে ভাসতে থাকে সেটাই দেখা।

সিলেট শহরে নেমেছি ভোর পৌনে পাঁচটায়, জনমাবহীন খাঁ খাঁ রাস্তায় রিক্সা আর সিএনজি চালকরা রীতীমতো রাস্তা কাঁপিয়ে নাক ডাকছেন, আমরাও হালকা ঠান্ডায় কাঁপতে কাঁপতে এগুচ্ছি একটা সিএনজি’র আশায়, গন্তব্য পাহাড়ের পাড় ঘেঁসে নীলচে পানিতে শুয়ে দোল খাওয়া আশ্চর্য্য সুন্দর এক উপজেলা গোয়াইনঘাট। আমাদের হালকা কাঁপাকাঁপিতেই বোধ হয় ঘুম ভেঙ্গে গেলো রাস্তা কাঁপনো রিক্সা চালকদের। মেঘের আলোয় পাঁচজন যুবককে দেখে সে মহা উদ্বিগ্ন হয়ে জিজ্ঞেস করলো “কই যান” ! আমরা বিশেষ পাত্তা না দিয়ে আরেকটু এগুতেই দেখি এক সিএনজি ড্রাইভার চোখ কচলে লাল করে সিএনজির সিটে শুয়েই ভীষণ উদ্বিগ্ন স্বরে বললো “কই যান”! পাশ থেকে আরেকজন বয়স্ক লোক গায়ে শাল জড়িয়ে যাবার পথে জিজ্ঞেস করলেন “কই যান”! তাদের সবার কন্ঠেই আমাদের নিয়ে উৎকণ্ঠা। সবার একটাই কথা “কই যান”? তাদের আগ্রহ মেটানোর জন্যই বলি আমরা ‘রাতারগুল’ যাবো, কেউ চিনেনা। অবশেষে এক সিএনজি পাওয়া গেলো যে গোয়াইনঘাট যেতে চায়। আর দেরী না করেই জড়াজড়ি করে উঠে গেলাম তার তিন চাক্কার দুনিয়ায়।

P1330743

ভরা বর্ষায়, ভেজা মেঘের কুয়াশার ভেতর দিয়ে জনমানবশুণ্য সিলেট শহরকে পেছনে ফেলে বিমানবন্দরের রাস্তা ধরে এগুতে থাকলাম শালুটিকরের দিকে। একপাশে বন্দী পাহাড়ের সারি মেঘ কোলে নিয়ে ঘুমুচ্ছে, আরেক পাশে চেঙ্গীর খালের ঘোলা পানিতে পড়ি পড়ি করেও গা ছোঁয়াচ্ছেনা ভোরের বৃষ্টি। এই চেঙ্গীরখাল যায়গাটা অদ্ভুত সুন্দর, খালের উপরে বিশাল একটা ব্রিজ শুয়ে আছে, সেখানে দাঁড়িয়ে পুরো শালুটিকর দেখা যায়। ঘোলা পানিতে শিকড় গেঁড়ে ভাসতে থাকা একেটা বাড়িকে মনে হচ্ছে একেকটা বিচ্ছন্ন দ্বীপ, এক বাড়ি থেকে আরেক বাড়িতে বেড়াতে গেলেও নৌকা দিয়ে যেতে হয়। আমাদের সিএনজি এগুতে থাকলো চেঙ্গীর খালের পাড় ধরে। সামান্য একটা ইটের রাস্তায় প্রকৃতির কত বিস্ময়, কত সৌন্দর্য্য যে লুকিয়ে থাকতে পারে তা এখানে উঁকি না দিলে বুঝতে পারতাম না। দু’পাশে হাঁটু পানি, সে পানির রং আবার সাদাটে নীল ! দেখে মনে হবে যেন জলজ্যান্ত আকাশটাকে টেনে মাটিতে নামিয়ে এনছে এই শুকনো একাকী রাস্তাটি। আমার জীবনে আমি অনেক সুন্দর রাস্তা দেখেছি কিন্তু এই রাস্তার সৌন্দর্য্যরে ধারেকাছেও নেই বাকিগুলো। নিজের আপন খেয়ালে চলতে থাকা এই রাস্তা কিছুদূর সোজা গিয়েই খেয়ালী বালিকার মতো বেঁকে গিয়েছে একদিকে, আরো কিছুটা গিয়ে দুষ্টু বালকের মতো লাফ দিয়েছে ব্রিজের উপর দিয়ে, মাঝে মাঝে খেলার মেজাজে কয়েক ফুট করে ডুব দিয়েছে ক্রমশ জমতে থাকা পাহাড়ী ঢলে। আশ্চর্য সুন্দর এই রাস্তার একপাশ জুড়ে রয়েছে ভারতের সবুজ পাহাড়গুলো যেটাতে সবুজের লেশমাত্রও নেই, তুমুল নীলে হারিয়ে গেছে তারা। আর একপাশে রয়েছে জলে ভাসতে থাকা মুগ্ধ বাংলাদেশ। বাড়ি-ঘর সব ডুবে আছে পানিতে, বাচ্চারা হাঁটু পর্যন্ত প্যান্ট গুটিয়ে স্কুলে যাচ্ছে আর বাকিরা নৌকায়, প্রত্যেকটা দৃশ্যই ছবির মতোন। এই রাস্তার দু’পাশ জুড়ে বিশাল সব গাছের সারি, ছাগল – ভেড়ার পাল আর মানুষের বিস্মিত দৃষ্টি। এমন জায়গায় বিস্মিত না হওয়াটাই বিস্ময়কর। একসময় সিএনজি থেকে নেমে আহসান ভাই দূর পাহাড়ের দিকে তাকিয়ে মন খারাপ করে বললেন, এমন যায়গায় একলা আসাটাই বোকামী, পরেরবার প্রিয় কাউকে নিয়ে আসবো।

P1330766

বেলা ১০ টায় আমরা পৌঁছলাম গোয়াইন ঘাট বাজারে, সেখান থেকে একটা ট্রলার রিজার্ভ নিলাম ‘রাতারগুল’ ফরেস্টের উদ্দেশ্যে। পুরো নদী জুড়ে হাওর হাওড় ভাব, পেছনে ভারতের পাহাড় থেকে ঝরছে ছোট-বড় অসংখ্য ঝরণা, সেগুলোর পানিই মিশেছে এখানে। কাঁচের মতোন স্বচ্ছ পানি, একটানে ৮/১০ ফুট পরিষ্কার দেখা যায়। পুরো নদীটাই দেখার মতোন একটি দৃশ্য। মহিষেরা গা ডুবিয়ে আয়েশ করে ঢেঁকিশাক চিবুচ্ছে। আমাদের ট্রলারের পানি তাদের গায়ে লাগতেই ঘাড় ঘুরিয়ে মৃদু একটা ধমক দিয়ে আবার দূর পাহাড়ের দিকে তাকিয়ে ঘাস চিবুতে থাকে। এমন সৌন্দর্য্যে সেও মুগ্ধ। একসময় ট্রলার ভিড়ে ‘রাতারগুল’ ফরেস্টের বিট অফিসে, সেখানে আগের থেকেই চকচকে নতুন নৌকা নিয়ে আমাদের জন্য অপেক্ষা করছেন বিট অফিসের কর্মচারী হুমায়ুন ভাই। আর দেরী করা কি চলে ! পড়িমড়ি করে সবাই ছোট নৌকায় উঠতে গিয়ে দেখি লুৎফর ভাই গায়েব, বন বিভাগের টয়লেটে গিয়ে তিনি বিপুল বিস্ময়ে চেয়ে আছেন পেছনের বিশাল বনের দিকে। সেখানে পানির দোলনায় দুলছে হিজলের বন, সেই সম্মোহন এড়ানো অসম্ভব। কোনোমতে তাঁকে ঠেলেঠুলে নৌকায় উঠালাম, জানালাম, হা করে থাকার সুযোগ সামনে আরো আছে। বৃথা চেষ্টা, তাঁর হা আরো বড় হয়ে উঠলো যখন দেখলো বনবিভাগের অফিসের সিঁড়ির গোড়ায় এইমাত্র একটা মাছ ঝপাৎ করে উঠে কতক্ষণ লাফিয়ে আবার টুপ করে ডুব দিলো পানিতে। যাবার আগে আমাদের দিকে একবার তাকিয়ে যেন বলে গেলো ‘আমাদের রাজ্যে স্বাগতম’। এ আবেদন উপেক্ষা করার মতোন বোকা এখোনো হই নাই। রওয়ানা দিলাম পানির দেশে।

P1330752

বনের সীমানায় ঢুকতেই এলোমেলো হয়ে গেলো আগের থেকে সাজিয়ে রাখা সব পরিকল্পনা। চোখের সামনে তব্দা মেরে দেয়া সবুজের মশারী, গাছের মাথা সমান টলটলে পানি হইহুল্লোড় করে ছুটে যাচ্ছে এক গাছের কোল থেকে আরেক গাছের বুকে। পাতা গুলো নিচু হয়ে ছোঁয়াছুঁয়ি খেলছে পানির সাথে। প্রকৃতি এখানে ঠান্ডা, নীরব, কেমন যেন একটা ভরাট সৌন্দর্য্য হুটোপুটি খাচ্ছে। বনে ঢোকার পর থেকেই নিশ্চুপ হয়ে গেছেন সারাক্ষণ বকবক করতে থাকা রকি ভাই, একফোঁটা শব্দও যেনো এ বনে মানায় না, চোখ বড়বড় করে তিনি তাকিয়ে আছেন সামনের চলমান গাছগুলোর দিকে। চলাৎ ছলাৎ শব্দে নৌকা চলছে গাছের ডাল ছুঁয়ে ছুঁয়ে, মাঝে মাঝে ডালের বাড়ি খাওয়ার হাত থেকে বাঁচতে গিয়ে শুয়ে পড়ছে সবাই। কিন্তু বেশিক্ষণ শুয়ে থাকতে পারেনা, তাড়াতাড়ি উঠে আবার তাকায় অদ্ভুত গাছগুলোর দিকে। সারাজীবন হিজল আর করচ গাছের নাম শুনেছি আজ দেখলাম,এদের গড়নটাই আলাদা। অনেকটা জিগজ্যাগ স্টাইলে বেড়ে উঠেছে এই গাছগুলো, কাঁচের মতোন স্বচ্ছ পানিতে ক্রমাগত নড়ছে তাদের প্রতিবিম্ব। ভাবতে অবাক লাগে একমাস আগে এই বনের মাঝ দিয়ে খালি পায়ে হেঁটেছিলাম, এখন সেখানে ১০ ফুট পানি, রোদের আলো পড়ে একেবারে তলার মাটি পর্যন্ত দেখা যাচ্ছে, সেখানে জেলেরা ব্যাঙ বেঁধে টোপ হিসেবে ঝুলিয়ে রেখেছে বোয়াল মাছের জন্য। প্রতিটা গাছের শেকড় দুলছে পানির উপরে। ইচ্ছে হলে নৌকা থেকে লাফিয়ে নেমে নির্দোষ একটা গোসলও দেয়া যেতে পারে ঠান্ডা এই পাহাড়ী জলে। কিন্তু সেটা করতে দিলেননা হুমায়ুন ভাই, চোখ গাছের উপরে উপরে তুলে আমাদের দেখালেন দুইটা সাপ চুপচাপ শুয়ে শুয়ে অতিথিদের দেখছে, এখন আপ্যায়ন না করতে চাইলেই হয় ! সাপ দেখে চুপসে যাওয়া রেদওয়ানকে ঠেলে-ঠুলে উঠিয়ে বানরের ঝাঁক দেখালেন আহসান ভাই। আমাদের দেখেও তারা কোনো গা করলোনা, এক হাত দিয়ে ঝুলতে ঝুলতে সবুজ পাতাগুলো পেটে চালান করে দিচ্ছে নির্লিপ্তভাবে।

একের পর এক বিস্ময় উপহার দেয়া এই বনে ঘুরতে ঘুরতে মাদকতা লেগে গিয়েছিলো চোখে, তাই সময়ের কোনো হিসাবই রাখিনি। এর মাঝেই আকাশ কালো করে মেঘ ধেয়ে এলো মেঘালয় থেকে। প্রকৃতির নিজের কাছে রাখা সব সৌন্দর্য্য একবারে উজাড় করে দিতে চায় আগত অতিথিদের। টুপটাপ বৃষ্টি শুরু হলো ‘রাতারগুল’ জুড়ে। এতোক্ষণ চুপচাপ শান্ত হয়ে থাকা বনটা মুহূর্তেই নড়েচড়ে উঠলো। গাছগুলো গা-ঝাড়া দিয়ে শরীর থেকে পানি ফেলে দিচ্ছে। পাতার সাপগুলো হেলতে দুলতে নেমে গেলো পানিতে। অনেক্ষণ বিশ্রাম নেয়া হয়েছে, এবারে খাবার খোঁজার পালা তাদের। আমরাও চাইনি তাদের খাবার হতে, তাই ভাসমান এই বন থেকে নিতান্ত অনিচ্ছা সত্বেই বের হয়ে আসলাম।

নৌকা ছেড়ে আমাদের ট্রলারে করে ধীরে ধীরে বাংলাদেশের একমাত্র ভাসমান বনটা ফেলে আসছি, আর বারবার পেছন ফিরে তাকাচ্ছি। শুধু একটা কথাই মনে হচ্ছে বারবার – এই বনটা মায়ার, এই বনটা ছায়ার, এই বনটা অনেক কিছু না পাওয়াকে পাওয়ার। আবার আসবো এই বনে, ভরা পূর্ণিমায় চাঁদের আলোতে গাছের ফাঁকে ফাঁকে থই থই পানিতে উথাল পাথাল জোৎস্না দেখতে আবার আসবো এই ঢেউয়ের বনে।

কিভাবে যাবেনঃ

এই পানির বনেতে যাওয়াটা পানির মতোই সোজা। এজন্যে সবার প্রথমে আপনাকে সিলেট যেতে হবে। সিলেট থেকে দুইভাবে ‘রাতারগুল’ ফরেস্টে যাওয়া যায়। বিমানবন্দরের পাশ ঘেঁসে শালুটিকর পাড়ি দিয়ে চেঙ্গেরখালের মায়াবী রাস্তাটি দিয়ে গোয়াইনঘাট বাজার পর্যন্ত সিএনজিতে যাবেন, সিলেট থেকে গোয়াইনঘাট পর্যন্ত সিএনজি ভাড়া নিবে ৪৫০ টাকা। সেখান থেকে একটা ট্রলার ৮০০ টাকা দিয়ে ভাড়া করে চলে যাবেন ‘রাতারগুল ফরেস্টে’। এ তো গেলো সিনেমা হলে যাওয়ার রাস্তা! আর সৌন্দর্য্যরে বাকি অংশটুকু দেখতে হলে বনে ঢুকতে হবে ছোট্ট একটা নৌকা নিয়ে। ফেরার পথে গোয়ইনঘাট নেমে জাফলং-এর ঠান্ডা পানিতে গোসলটা সেরে আসতে পারেন, ওটা খুব বেশী দূরে নয়। আর অন্য পথটা হলো সিলেট থেকে মোটরঘাট হয়ে। সেটার কথা নাইবা বললাম, জীবনে যদি মনে রাখার মতোন কোনো স্মৃতি নিয়ে ঘরে ফিরতে চান তাহলে গোয়াইনঘাটের রাস্তাটা দিয়েই ঘুরে আসুন।

আর সবচাইতে উল্লেখযোগ্য যে পরামর্শ সেটা হলো ‘রাতারগুল’ যেতে চাইলে অবশ্যই জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময়ের মধ্যে যাবেন, এর পরে বা আগে গেলে বনে পানি পাবেন না।