ছোটাছুটি

সহজে বিদেশ ভ্রমণের ১০ টিপস!

দেখা হয় নাই চক্ষু মেলিয়া’র অতৃপ্তি ঘুচিয়ে দিয়েছেন। ঘর হইতে দুই পা ফেলিয়া বের হয়ে ঘুরেছেন পুরোটা দেশ। এবার? বিদেশ! শুনলেই কেমন ভয় ভয় করে! কত হ্যাপা আর খরচ! তা কিছুটা আছেই। তবে যতটা ভয় পাচ্ছেন, ততটা কিন্তু নয়। একটু পরিকল্পনা করে ফেলতে পারলে সাধ্যের মধ্যেই সাধ পূরণ করা যায়।

১. প্রথমেই বলব প্ল্যানিংয়ের কথা। পরিকল্পনা ছাড়া কোনও ভ্রমণে যাওয়াই ঠিক নয়। আর বিদেশ ভ্রমণে তো নয়ই। তাই যেখানে যাবেন, সেই জায়গা সম্পর্কে বিস্তারিত গবেষণা করে নিন।

২. বিমানের টিকিট কাটুন অন্তত ৪০ দিন আগে। এর আগে কাটলে তো আরও ভাল। এতে আপনার টিকিটের খরচ অনেক কম পড়বে।

৩. এবার থাকার জায়গা। বিদেশে গিয়ে পয়সা বাঁচাতে হলে হোটেল নৈব নৈব চ। বরং হোম-স্টে বা হস্টেল খুঁজে নিন। বেশ কম খরচে ভাল থাকার ব্যবস্থা হয়ে যাবে।

৪. সিঙ্গল-ওয়ে টিকিট কাটার বদলে রাউন্ড ট্রিপ টিকিট কাটুন। অর্থাৎ, বিদেশে পৌঁছে সেখান থেকে ঘুরতে যাওয়ার টিকিট এবং ফেরত আসার টিকিট আলাদাভাবে কাটবেন না। এক্ষেত্রে বরং প্যাকেজ নেওয়ার চেষ্টা করুন। এতে অনেকটা সাশ্রয় হবে।

৫. ঘুরতে যেতে হলে উইকেন্ড নয়, বরং সপ্তাহের প্রথম দিনগুলি বেছে নিন। কেন না, উইকেন্ডে সব সময়েই টিকিটের দাম বেশি থাকে।

৬. সাশ্রয় করতে হলে সিজনে নয়, বেছে নিন ‘অফ সিজন’।

৭. যস্মিন দেশে যদাচার। অর্থাৎ, যে দেশে ঘুরতে যাচ্ছেন, চেষ্টা করুন সেই দেশের স্থানীয় খাবার খাওয়ার। এড়িয়ে চলুন বড় রেস্তোরাঁগুলি। এতে আপনার অভিজ্ঞতাও বাড়বে, খরচাও কম হবে।

৮. চেষ্টা করুন স্থানীয়দের সঙ্গে মিশে যাওয়ার। যাতায়াতের ক্ষেত্রে স্থানীয় পরিবহণ পরিষেবা ব্যবহার করুন। এতে খরচ কমবে।

৯. বিদেশে গিয়ে চেষ্টা করুন ডেবিট বা ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার না করার। কারণ, বিদেশি মুদ্রা আদান-প্রদানের ক্ষেত্রে কিছু ব্যাঙ্ক অত্যধিক পয়সা চার্জ করে। সঙ্গে ডলার রাখতে পারেন। বেশিরভাগ দেশেই আমেরিকান ডলার বদল করা অনেক সহজ।

১০. ঘুরতে যাওয়ার আগে পারলে কোনও ট্রাভেল ইনসিওরেন্স পলিসি কিনে নিন। এতে আপনারই লাভ। বিদেশে গিয়ে কোনও সমস্যা হলে তা আপনার মাথাব্যাথার কারণ হয়ে দাঁড়াবে না।

Facebook Twitter Google+ Pinterest
More
Reddit LinkedIn Vk Tumblr Mail
Facebook