ছোটাছুটি

এই দ্বীপটা অন্য রকম

araria

ফিলিপিন্সের ৭ হাজার দ্বীপের মধ্যে এই আরারিয়া দ্বীপটি বিশেষভাবে সমাদৃত হচ্ছে পর্যটকদের মধ্যে। প্রাইভেট পার্টি করার এর থেকে বালো জায়গা আর হতে পারে না। যাবেন কী ভাবে? প্রথমে ম্যানিলা থেকে এক ঘণ্টা প্লেনে। তার পর সড়ক পথে আরও এক ঘণ্টা। তার পর ‘মায়া মায়া’ নামে দ্বীপেরই বিলাসবহুল লঞ্চে করে পৌঁছে যাবেন আরারিয়ায়।

ম্যাপে ভালো করে লক্ষ না করলে মিস করে যেতে পারেন। এমনকী সমুদ্রযাত্রা করার সময়ও খুব ভালো করে খেয়াল করতে হয় ১২৫ একরের এই ছোট্ট ‘প্যারাডাইস’কে। আপনিও অনায়াসে এখানে কাটিয়ে আসতে পারেন দিন কতক। ভাড়া? মাত্র ৬০ হাজার মার্কিন ডলার।

আগে থেকে বলা থাকলে আপনার জন্য সবই প্রস্তুত থাকবে। থাকার জন্য বিচ কটেজ থেকে জঙ্গল রিসর্ট সবই পাবেন সেখানে। তার পর যদি বিশেষ কোনও আবদার থাকে, যেমন কোনও পছন্দের শ্যাম্পেন বা যোগ ইন্সট্রাক্টার সবই নিমেষে হাজির হয়ে যাবে আপনার সামনে। হ্যাঁ, তবে সব কিছুর জন্য কড়া-ক্রান্তি গুণে দিতে হবে।

এক ব্রিটিশ দম্পতি চার্লি এবং ক্যারি ম্যাকুলোক-এর প্রচেষ্টায় আরারিয়া এখন পর্যটন ম্যাপে একটা অন্যতম প্রধান আকর্যণ হয়ে উঠছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, চিন, ইংল্যান্ড, কোরিয়া প্রভৃতি দেশে থেকে বহু পর্যটক বহুবার এখানে এসে থেকে যাচ্ছেন। তবে কম পর্যটকই বেশি পছন্দ করছেন তাঁরা। কেন? চার্লির উত্তর, পাঁচ বছর বা ১০ বছর বাদেও আরারিয়াকে ‘আনটাচড্’ এবং ‘আনস্পয়েলড্’ দেখতে চান। ঠিক যে রকমটা এখন রয়েছে।

Facebook Twitter Google+ Pinterest
More
Reddit LinkedIn Vk Tumblr Mail
Facebook