ছোটাছুটি

বেরিয়ে পড়ুন একা একা

tour

দলবেঁধে ঘোরার একটা মজা তো আছেই। কিন্তু জীবনানন্দ দাশের সেই নাবিকের মতো একা একা বেরিয়ে পড়ে হাজার বছর ধরে পথ হাঁটার রোমাঞ্চ কিন্তু তাতে মিলবে না। আবার বন্ধু স্বজনদের সঙ্গে ঘুরে বেড়ানোর বাজে দিকটা হলো, আড্ডা সেই একই রকম। এতে যেটা হয়, বেরোতে গেলেও নিজের চেনা বৃত্তের মধ্যেই থাকা হয়। আর একা ঘুরতে গেলে আপনাকে বাইরের অচেনা পৃথিবীর সঙ্গে ভালো করে মিশতেই হবে। নতুন বন্ধু বানানোর ঢের সুযোগ পাবেন। সবচেয়ে বেশি পাবেন, নিজেকে যাচাই করে নেওয়ার সুযোগ। একা ভ্রমণ মানে নিজে নিজের দায়িত্ব নেওয়া। সেটা কি ঠিকমতো শিখেছেন?

আর এই একা ভ্রমণের জন্য তৈরি হতে…না সব টিপস বলে দিলে আর চ্যালেঞ্জের মুখে পড়া কেন…তবু কিছু ব্যাপার আপনাকে বলে তো রাখাই যায়:

 

এক্সট্রা প্যাকিং

পরিবারের সঙ্গে আগেও ঘুরতে গেছেন৷ ফলে আপনি জানেন কোন সদস্য কিরকম এবং যে কোনও মুহূর্তে বিরক্তি বাসা বাঁধতে পারে৷ তাই আগে থেকেই সাবধানতা বজায় রাখুন৷ প্যাকিং করার সময় নিজের যাবতীয় জরুরি জিনিসের সঙ্গে সঙ্গে মনোরঞ্জনের জিনিসপত্রও নিন৷ নিজের পেন ড্রাইভে ভাল কিছু সিনেমা নিয়ে নিন৷ বই পড়ার শখ থাকলে ভালো কিছু বই ও ম্যাগাজিন নিতে ভুলবেন না৷ নিজের আইপডে ভালো কিছু গান নিয়ে নেবেন৷ এতে যদি ট্র্যাভেল ব্যাগ একটু ঢাউস আকারের হয় ক্ষতি নেই৷

ক্যামেরার সঙ্গে

ঘুরতে যাওয়ার সময় অনেক কিছু বিরক্তিকর লাগলেও ফেরার পর ছুটির সময়টাকে মিস করবেন৷ তাই নিজের সঙ্গে সবসময় ক্যামেরা রাখুন৷ সব মুহূর্তগুলি রেকর্ড করে রাখলে স্মৃতি হাতড়াতেও সুবিধা হবে এবং টু্যর চলাকালীন আপনি ব্যস্ততার মধ্যে থাকবেন৷ এতে সময় কখন কেটে যাবেন বুঝতেও পারবেন না৷

ব্যায়াম করুন

না, অন্য দেশে পা দিয়েই দৌড়াতে শুরু করতে বলছি না৷ কিন্ত্ত মাঝে মধ্যে খুব চাপ অনুভূত হলে একটু ব্যায়াম করে নেওয়ার অভ্যাস ভালো৷ এতে চাপ কিছুটা হলেও দূর হয়৷ তাছাড়া আপনার ফিট থাকাও হচ্ছে৷ কার্ডিও কিংবা দৌড়ঝাঁপ না করলেও একটু নেচে নিতে পারেন কিংবা স্ট্রেচ ও সিট আপ দিতে পারেন৷ অথবা ছোট ভাই বা বোনের হাত ধরে বাইরে থেকে ঘুরে আসতে পারেন৷ এতে মন ভালো হয়ে যাবে৷

বেড়িয়ে পড়ুন

ট্রিপটা খুব একঘেয়ে হয়ে গেলে একা একাই নতুন শহর দেখতে বেড়িয়ে পড়ুন৷ নতুন জায়গায় একা একা বেশ ভালোই লাগবে৷ শহরের দ্রষ্টব্য জায়গাগুলি দেখুন৷ নতুন নতুন খাবার ট্রাই করুন৷ দেখবেন বেশ মজা লাগবে৷

হেডফোনই সম্বল

কেউ বাথরুম নিয়ে ঝগড়া করছে, কারো আগের রাত থেকে মুখ বেজার, কেউ বা কোনও অজানা কারনে মারাত্মক রেগে৷ আপনি বরং নিজের হেডফোন কানে দিয়ে গান শুনুন৷ এর চেয়ে ভালো টাইম পাস আর হয় না৷

পরিবার তো

আপনারই তো পরিবার৷ একটু মানিয়ে গুছিয়ে নিতে তো হবেই৷ আর যতটা বাজে ভাবছেন ততটা খারাপ কাটেনি সময়টা৷ সুতরাং একটু অ্যাডজাস্ট করাও জরুরি৷

 

Facebook Twitter Google+ Pinterest
More
Reddit LinkedIn Vk Tumblr Mail
Facebook